উস্তাদ: মুফতি আব্দুল ওয়াদুদ হাফিজাহুল্লাহ, সম্মানিত খতিব, কেজির মোড় জামে মাসজিদ, এনায়েতপুর, সিরাজগঞ্জ।
সংক্ষিপ্ত স্ক্রিপ্ট: মোহাম্মদ কাউছার আহমাদ সম্রাট।
তাফসির, সুরা বাকারা, ২:২৫৫; আলোচ্য বিষয়: আয়াতুল কুরসির মাহাত্ম্য, ফজিলত ও তাফসীর: একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা।

নিচে পুরো ক্লাস/দরসের অডিও দেওয়া হলো, সংক্ষিপ্ত স্ক্রিপ্টটি পড়ার সাথে সাথে পুরো অডিও রেকর্ডটি শুনলে সর্বোচ্চ ফায়দা হবে আশা করি, ইনশাআল্লাহ।
সম্পূর্ণ ক্লাসের অডিও রেকর্ডিং
ভূমিকা
পবিত্র কুরআনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ আয়াত নিয়ে আজকের তাফসির, সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত, যা বিশ্বজুড়ে ‘আয়াতুল কুরসি’ নামে পরিচিত, তার গভীরতা ও অলৌকিকতা নিয়ে এখানে আলোকপাত করা হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার তাওহীদ, তাঁর সার্বভৌম ক্ষমতা এবং এই আয়াতের আমলের মাধ্যমে বান্দা কীভাবে দুনিয়া ও আখিরাতে সুরক্ষিত থাকতে পারে—সেটিই এই আলোচনার মূল উপজীব্য।
আয়াতুল কুরসির তেলাওয়াত ও অর্থ
আলোচনার শুরুতে আয়াতটি তেলাওয়াত করা হয়:
আরবি: ﴿اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ﴾
অর্থ: “আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে যা রয়েছে সব তাঁরই। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছু তারা আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর কুরসি আসমান ও যমীনব্যাপী বিস্তৃত; আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। আর তিনি সুউচ্চ, সুমহান।” (সূরা আল-বাকারাহ, ২:২৫৫)
এই আয়াতটিকে কেন ‘আয়াতুল কুরসি’ বলা হয়? কারণ এতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার ‘শাহী সিংহাসন’ বা ‘কুরসি’র আলোচনা এসেছে। এই আয়াতের মধ্যে আল্লাহর জালালি গুণাবলি এমনভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, ওলামায়ে কেরাম একে ‘ইসমে আজম‘ (আল্লাহর মহান নাম) বলে অভিহিত করেছেন। ইসমে আজমের বিশেষত্ব হলো, এটি পাঠ করে দোয়া করলে অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়।
ইসমে আজম ও হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালামের অলৌকিক ঘটনা
ইসমে আজমের মাহাত্ম্য বোঝাতে গিয়ে হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালামের যুগের একটি ঘটনার অবতারণা করা হয়েছে। তাঁর দরবারে একদা ‘হুদহুদ’ পাখি অনুপস্থিত ছিল। হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম রেগে গিয়ে তাকে শাস্তি দেওয়ার কথা ভাবলেন। কিন্তু পাখিটি ফিরে এসে এক বিস্ময়কর খবর দিল। সে জানালো, সে এমন এক রাজ্যে (সাবা) গিয়েছিল যেখানে এক নারী শাসক (রানি বিলকিস) রাজত্ব করছেন। ইসলামের দৃষ্টিতে নারীদের ইমামতি বা নেতৃত্ব নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি তখনও কার্যকর ছিল।
হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম বিলকিসকে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে চিঠি লিখলেন এবং একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন। রানি বিলকিস যখন সুলাইমান আলাইহিস সালামের কাছে আসার জন্য রওনা হলেন, তখন সুলাইমান আলাইহিস সালাম তাঁর অনুগত জিন ও খাদেমদের কাছে জানতে চাইলেন, “কে আছে যে রানি বিলকিস এখানে পৌঁছানোর আগেই তার সিংহাসনটি নিয়ে আসতে পারবে?”
একজন জিন বলল, সে সুলাইমান আলাইহিস সালাম মজলিস শেষ করে ওঠার আগেই তা নিয়ে আসবে। কিন্তু আসিফ ইবনে বারখিয়া ⇗ রহমতুল্লাহি আলাইহি (যিনি ইসমে আজম জানতেন) বললেন, “আপনি চোখের পলক ফেলার আগেই আমি তা হাজির করব।” আর চোখের পলক ফেলার আগেই সিংহাসনটি সামনে এসে হাজির হলো। এটিই ছিল ইসমে আজমের বরকত। আয়াতুল কুরসির মধ্যেও সেই ইসমে আজম নিহিত রয়েছে।
আয়াতুল কুরসির ফজিলত ও হাদিসের বর্ণনা
হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী, পবিত্র কুরআনের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে দামী ও মূল্যবান আয়াত হলো এই আয়াতুল কুরসি।
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কোনো ব্যক্তি যদি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করে, তবে তার এবং জান্নাতের মাঝে কেবল একটি মাত্র পর্দা থাকে, আর তা হলো মৃত্যু।” অর্থাৎ মৃত্যুর সাথে সাথেই আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। (রেফারেন্স: তাবারানি ও নাসাঈ)।
এই আয়াতের গুরুত্বের কারণে হুজুর উপস্থিত শ্রোতাদের কাছে জানতে চাইলেন যে, কার কার এটি মুখস্থ আছে। তিনি সবাইকে অনুরোধ করলেন, যাদের মুখস্থ নেই তারা যেন আগামী সপ্তাহের মধ্যে তা শিখে নেন। কারণ এই আমল মানুষের জীবনকে আমূল বদলে দিতে পারে।
🫧
তাফসীরে ইবনে কাসীর: হযরত মুসা আলাইহিস সালাম ও আল্লাহর ওহি
তাফসীরে ইবনে কাসীরের এক রেওয়ায়েত অনুযায়ী, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা হযরত মুসা ইবনে ইমরান আলাইহিস সালামের কাছে ওহি নাজিল করে বলেছিলেন, “হে মুসা! তুমি এই আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে। আমার বান্দাদের মধ্যে যারা এটি পাঠ করবে, আমি তাদের দুটি পুরস্কার দেব—একটি হলো জিকিরকারী জিহ্বা এবং অন্যটি শুকরিয়াকারী অন্তর।”
হুজুর আরও উল্লেখ করেন যে, পবিত্র কুরআনের অনেক সূরার মতোই (যেমন সূরা আর-রাহমান বা সূরা ইয়াসিন) এই আয়াতটি অনেক আগে থেকেই সংরক্ষিত ছিল। এটি পাঠ করলে দুনিয়াবী বিপদাপদ থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়।
আমলে সালেহ ও পবিত্র জীবনের হাতছানি
আয়াতুল কুরসির আমল করার পাশাপাশি আমলে সালেহ বা নেক আমলের গুরুত্বও অপরিসীম। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ইরশাদ করেছেন: ﴿مَنْ عَمِلَ صَالِحًا مِنْ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَلَنُحْيِيَنَّهُ حَيَاةً طَيِّبَةً﴾ অর্থ: “পুরুষ বা নারীর মধ্যে যে কেউ ঈমানদার অবস্থায় নেক আমল করবে, আমি তাকে অবশ্যই এক পবিত্র জীবন (হায়াতান তায়্যিবা) দান করব।” (রেফারেন্স: সূরা আন-নাহল, ১৬:৯৭)
হুজুর এখানে ব্যকরণগত দিক ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘ফালানুহ্ইইয়ান্নাহু’ শব্দে নূনে তাকিদ (তাসদিদযুক্ত নূন) ব্যবহারের মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ‘অবশ্যই অবশ্যই’ পবিত্র জীবনের নিশ্চয়তা দিয়েছেন। নবীদের জীবন ছিল সেই হায়াতান তায়্যিবার প্রতিচ্ছবি। তারা মৃত্যুভয়ে ভীত ছিলেন না, বরং তারা মৃত্যুকে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের মাধ্যম মনে করে সানন্দে গ্রহণ করতেন।
সাহাবায়ে কেরাম ও নবীদের মৃত্যুর দৃষ্টিভঙ্গি
মৃত্যু মুমিনের জন্য একটি উপহার। হুজুর রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের সময়ের কিছু মর্মস্পর্শী দৃশ্য তুলে ধরেন। হযরত ফাতেমা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা যখন কাঁদছিলেন, নবীজি তাঁর কানের কাছে মুখ নিয়ে কিছু বললেন এবং ফাতেমা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা শান্ত হয়ে গেলেন। পরবর্তীতে হযরত আয়েশা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা কারণ জানতে চাইলে ফাতেমা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা বলেন, “বাবা বলেছেন তাঁর কষ্টের দিন শেষ হয়ে গেছে এবং পরিবারের মধ্যে আমিই প্রথম তাঁর সাথে মিলিত হব।”
একইভাবে হযরত সালমান ফারসি রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু সাড়ে তিনশো বছরের দীর্ঘ জীবন পাওয়ার পর মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকতেন। তিনি বলতেন, মৃত্যুর মাধ্যমেই তো আমি আমার পরম বন্ধু রবের সাথে সাক্ষাৎ করব।
হুজুর আরও বলেন, নিয়মিত আমল মানুষের জীবনকে অর্থবহ করে তোলে। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর কাছে সেই আমল সবচেয়ে প্রিয় যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা অল্প হয়। (রেফারেন্স: সহীহ আল-বুখারি)।
আয়াতুল কুরসি ও জিনের চুরির ঘটনা (হযরত আবু আইয়ুব আনসারি রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু)
আয়াতুল কুরসির অলৌকিক ক্ষমতা বোঝাতে গিয়ে সাহাবী হযরত আবু আইয়ুব আনসারি রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর একটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর খেজুর বাগান থেকে রাতের বেলা খেজুর চুরি হয়ে যেত। এক রাতে তিনি পাহারা দিতে গিয়ে অদ্ভুত এক চোর ধরলেন—যার চেহারা মানুষের মতো কিন্তু হাত-পা বিড়ালের মতো লোমশ।
চোরটি কান্নাকাটি করে ক্ষমা চাইল এবং জানালো সে খুব গরিব। দয়াপরবশ হয়ে তিনি তাকে ছেড়ে দিলেন। পরের দিন সকালে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগেই জেনে গেলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন, “আবু আইয়ুব, রাতের চোরের খবর কী?” নবীজি জানালেন যে সে আবারও আসবে।
তৃতীয় রাতে আবারও চোরটিকে ধরলে সে বাঁচার জন্য একটি হিকমত শিখিয়ে দিল। সে বলল, “আমি তো মানুষ নই, আমি জিন। আপনি যদি রাতে শোয়ার সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করেন, তবে সারারাত একজন ফেরেশতা আপনার বাগান পাহারা দেবে এবং কোনো চোর বা শয়তান কাছে আসতে পারবে না।” রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বললেন, “সে মিথ্যুক হলেও এই কথাটা সত্য বলেছে।” (রেফারেন্স: সহীহ আল-বুখারি ও তিরমিজি)।
বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা ও আয়াতুল কুরসির বরকত
হুজুর এখানে একটি বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা বলেন: তাঁর উস্তাদ হাটহাজারী মাদরাসা থেকে মেখল মাদরাসায় যাওয়ার পথে ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। গাড়ির গ্লাস ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল এবং গাড়িটি পিষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যাওয়ার আগে তাঁরা আয়াতুল কুরসি পাঠ করেছিলেন বলে তিনজনেই অলৌকিকভাবে অক্ষত ছিলেন।
বদর যুদ্ধ ও ‘ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম’ জিকিরের মাহাত্ম্য
বদর যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আয়াতুল কুরসির মূল ভিত্তি ‘আল-হাইয়্যু আল-কাইয়্যুম’ নামের গুরুত্ব অপরিসীম। বদর যুদ্ধে ৩১৩ জন নিরস্ত্র মুসলমানের বিপরীতে ১০০০ জন সুসজ্জিত কাফের সৈন্য দাঁড়িয়েছিল। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেজদায় পড়ে একটানা ‘ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম’ বলে দোয়া করছিলেন। আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেন এবং আসমান থেকে ফেরেশতা পাঠিয়ে সাহায্য করেন।
হযরত ইকরিমা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেছিলেন, “যুদ্ধের ময়দানে দেখতাম তলোয়ার গর্দান স্পর্শ করার আগেই গর্দান পড়ে যাচ্ছে।” ফেরেশতারা পাগল করা তেজস্বী ঘোড়ায় চড়ে বদরের ময়দানে মুসলমানদের পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করেছিলেন। সুবাহানাল্লাহ।
এমনকি হযরত আব্বাস রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু (যিনি তখন কাফেরদের পক্ষে বন্দি ছিলেন) বলেছিলেন, তাঁকে যে ফেরেশতা বন্দি করেছিলেন তিনি অনেক লম্বা ছিলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ‘হায়াতান তায়্যিবা’ ও জিকিরের কারণেই আল্লাহ এই অলৌকিক সাহায্য পাঠিয়েছিলেন।
উপসংহার ও উপদেশ
আয়াতুল কুরসি কেবল পাঠ করার জন্য নয়, এর ভাবার্থ অনুধাবন করা ও জীবনে আমল করা জরুরি। যারা সকালে পাঠ করবে সারাদিন এবং যারা রাতে পাঠ করবে সারারাত আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলার বিশেষ ফেরেশতা তাদের হেফাজত করবেন। এর মাধ্যমে রিজিকের অভাব দূর হয় এবং কেয়ামতের দিন শাফায়াত পাওয়া যায়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের সবাইকে এই মহিমান্বিত আয়াতের ওপর আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
✎ᝰ সংক্ষিপ্ত স্ক্রিপ্ট by মোহাম্মদ কাউছার আহমাদ সম্রাট

সম্মানিত খতিব, কেজির মোড় জামে মাসজিদ, এনায়েতপুর, সিরাজগঞ্জ। উস্তাদের অমূল্য কথা গুলো, জুম্মার বয়ান (খুতবা) এবং তাফসির ক্লাস (দরস) নিয়মিত এইখানে আর্টিকেল আকারে সম্ভব হলে অডিওসহ পাবলিশ করা হয়, ইনশাআল্লাহ। সংক্ষিপ্ত স্ক্রিপ্টটি পড়ার সাথে সাথে পুরো অডিও রেকর্ডটি শুনলে সর্বোচ্চ ফায়দা হবে আশা করি, ইনশাআল্লাহ।